কানপুর, ক্রাইম ইন্ডিয়া সংবাদদাতা : উত্তরপ্রদেশের কানপুর জেলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। নগরীর বারা এলাকার মালব্য বিহারে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি দ্রুতগামী স্করপিও একটি ছয় বছরের মেয়েকে তার বাবার সামনে ধাক্কা দেয়। বিক্ষুব্ধ জনতা গাড়ির চালককে গাড়ি থেকে টেনে তুলতে শুরু করলে তিনি চিকিৎসার আশ্বাস দিয়ে মেয়েটিকে তার স্বজনসহ এলএলআর হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসক মেয়েটিকে মৃত ঘোষণা করলে তাকে সেখানে রেখে পালিয়ে যায়। আউট বৃশ্চিকের নম্বরটি মথুরার এবং লক্ষনপুরের শাস্ত্রীপুরম সিকান্দ্রা আগ্রার বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র সিং-এর নামে নিবন্ধিত। সুধীর কুমার ভার্মা, মূলত ভিতরগাঁওয়ের বাসিন্দা, তিনি কুলগাঁওয়ের প্রাক্তন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি স্ত্রী মাধবী ভার্মা, ছেলে আলেখ এবং ছয় বছরের মেয়ে ভামিকা ওরফে লাডোকে নিয়ে বারার মালভিয়া বিহার বাড়িতে বহু বছর ধরে থাকতেন। ভামিকা কেজির ছাত্রী ছিল। নিহতের বাবা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কররাহি রোডের গুলাবি বিল্ডিং মোড়ে জ্যাম ছিল। তা এড়াতে সাদা রঙের বৃশ্চিকটি হঠাৎ বাম দিক থেকে গলিতে ঢুকে পড়ে। মেয়েটি বাড়ির বাইরে খেলছিল এবং সেও বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল তখন দ্রুতগামী স্করপিওটি মেয়ের উপর দিয়ে চলে যায়। এরপর গাড়ি চলতে শুরু করলেও রাস্তা বন্ধ থাকায় থামতে হয়। এসময় লোকজন চালককে ঘেরাও করলে তিনি মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন। প্রথমে মেয়েটিকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে ডাক্তার তাকে বাইরে থেকে ফিরিয়ে দেন। এরপর তাকে গাড়িতে করে এলএলআর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বড়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, বাবার তাহরীরের ভিত্তিতে গাড়ির নম্বরের ভিত্তিতে চালকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে অভিযুক্তদের খোঁজ করা হচ্ছে।
Edited By : Rahman











Total Users : 71583
Total views : 73091