ভাগলপুর, ক্রাইম ইন্ডিয়া সংবাদদাতা : 48 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কুমারী কল্পনা এবং তার ছেলে মুকেশকে একটি রাজমিস্ত্রীকে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে মারধর করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য মনোনীত অভিযুক্ত কাউন্সিলর স্বামী বীরেন্দ্র মন্ডল ও কাউন্সিলর প্রতিনিধি সিকান্দারকে খোঁজা হচ্ছে। অজ্ঞাত ১০ জনকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। রবিবার ভারী নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে আসা পুলিশ ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে তাদের সঙ্গে টেনে নিয়ে যায়। থানায় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্বাস্থ্যের অবনতি। তাকে পুলিশ হেফাজতে জেএলএনএমসিএইচে ভর্তি করা হয়েছে। কাউন্সিলরকে আটক করায় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ। মহিলারা সিনিয়র পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে মৃদু শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। আসলে পুরো বিষয়টিই স্বামী-স্ত্রী ও প্রেমিক-প্রেমিকা সংক্রান্ত। পুলিশ জানায়, কামালের স্ত্রী তার শ্যালক ছোটুর সঙ্গে প্রেম করতেন। কামাল বিষয়টি জানতে পেরে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছে যান। কাউন্সিলর সিদ্ধান্ত নেন যে কামালের স্ত্রী যখন তার সাথে থাকতে চান না, তখন তাকে ছেড়ে তার প্রেমিকের সাথে বসতি স্থাপন করা উচিত। কামালের স্ত্রী একই বাড়ির নিচের ঘরে প্রেমিকের সঙ্গে থাকবেন বলেও জানান। কামাল এতে বিরক্ত হয়ে এর বিরোধিতা করেন। কামালের স্ত্রী তার প্রেমিক ও চার সন্তানকে নিয়ে আলাদা হয়ে যান। এক সন্তান কামাল তাতীর কাছে আছে। দুই দিন আগে কামাল তার স্ত্রীকে গালিগালাজ করে। ক্ষোভে ওয়ার্ডও কর্পোরেটরকে গালিগালাজ শুরু করে, যার মধ্যে কামালের স্ত্রী একটি ভিডিও তৈরি করে কর্পোরেটরের সাথে শেয়ার করেন। গালিগালাজের অভিযোগে শনিবার কাউন্সিলরের নির্দেশে রাজমিস্ত্রি কামাল তাঁতীকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। এ সময় জাত নির্দেশক শব্দও ব্যবহার করা হয়। এ ব্যাপারে ইসহাকচক থানায় অভিযোগ করেছেন নির্যাতিতা। মনোনীত কাউন্সিলর কুমারী কল্পনা, তার স্বামী, ছেলে ও কাউন্সিলরের প্রতিনিধিসহ অজ্ঞাত ১০ জনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক মামলা হয়েছে। ঘটনার ভিডিওও পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রবিবার পুলিশ কর্পোরেটর ও তার ছেলেকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানায়, কমল তাঁতীকে এত মারধর করা হয় যে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এফআইআর-এ অভিযোগ করা হয়েছে, কাউন্সিলরের নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তবে ভিডিওতে ঘটনাস্থলে কাউন্সিলরদের দেখা যাচ্ছে না। ঘটনাস্থলে কাউন্সিলর প্রতিনিধি সিকান্দার উপস্থিত ছিলেন। এখানে চিকিৎসাধীন কাউন্সিলরের অবস্থা জানতে ওয়ার্ড কাউন্সিলর সঞ্জয় সিনহাসহ অনেকেই মায়াগঞ্জে আসেন। কাউন্সিলর একতা মঞ্চ বলেন, কাউন্সিলরকে এভাবে গ্রেপ্তার করা ঠিক নয়.
Edited By : Raees khan











Total Users : 71635
Total views : 73146